সাভারের একটি
বাস
স্টেশন। ব্যস্ত
ভোর।
রোদ
ধীরে
ধীরে
ফুটছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া এক
ভদ্রমহিলা—নাম
নীলা—একটি লাক্সারিয়াস বাসের
সিট
বুক
করেছেন।
দীর্ঘ
যাত্রার জন্য
তার
প্রয়োজন ছিল
আরামদায়ক পরিবেশ। গন্তব্য: কক্সবাজার।বাস ছাড়ার
৩০
মিনিট
আগে
নীলা
এসে
তার
নির্ধারিত সিটে
বসেন।
পাশের
সিটটি
তখনো
ফাঁকা।
কিছুক্ষণ পর
সেখানে
এসে
বসেন
আরেকজন
যুবক,
নাম
আদনান।
চেহারায় বিনয়
এবং
ব্যক্তিত্বের ছাপ।
তাদের
মধ্যে
এক
মুহূর্তের দৃষ্টিবিনিময় হয়,
তবে
কেউ
কোনো
কথা
বলে
না।বাস
ঠিক
সময়ে
যাত্রা
শুরু
করল।
গতি
বাড়ার
সঙ্গে
সঙ্গে
জানালার বাইরে
দৃশ্যগুলো একটার
পর
একটা
বদলাতে
থাকে।
নীলা বই
পড়ছিলেন, আর
আদনান
হেডফোনে গান
শুনছিলেন। কিছুক্ষণ পর,
এক
টুকরো
আলোচনার সূচনা
হয়।“আপনি কি সবসময়
একাই
ভ্রমণ
করেন?”
আদনান
প্রশ্ন
করেন।
নীলা
হেসে
উত্তর
দেন,
“হ্যাঁ,
বেশিরভাগ সময়।
আর
আপনি?”
“আসলে, কক্সবাজারে যাচ্ছি
বন্ধুর
বিয়েতে। প্রথমবার এই
পথে
একা
যাচ্ছি।”
এই
কথাবার্তার সূত্র
ধরে
তারা
নিজেদের পরিচয়,
পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে আলোচনা
শুরু
করেন।
নীলার
বই
পড়ার
অভ্যাস,
আদনানের ট্রাভেল ফটোগ্রাফির প্রতি
ভালোবাসা—সব
মিলিয়ে বেশ
জমে
ওঠে
তাদের
আলাপ।
পথিমধ্যে যাত্রাবিরতি। একটি
বিশ্রামস্থানে তারা
দুজনে
একসঙ্গে চা
খান।
সেই
চায়ের
ধোঁয়া
আর
রাস্তার হালকা
শীতল
বাতাস
তাদের
বন্ধুত্বের বাঁধনকে আরও
দৃঢ়
করে।
রাত
গভীর
হতে
থাকে।
বাসের
অধিকাংশ যাত্রী
ঘুমিয়ে পড়ে,
কিন্তু
নীলা
আর
আদনান
জানালার বাইরে
চাঁদের
আলো
দেখতে
দেখতে
গল্প
চালিয়ে যান।
আদনান
তার
কিছু
ফটোগ্রাফ দেখান,
আর
নীলা
তার
পড়া
কিছু
প্রিয়
কবিতার
লাইন
শোনান।
এই
সহজ
কথাগুলো যেন
এক
অন্যরকম অনুভূতি সৃষ্টি
করে।
ভোরে
কক্সবাজার পৌঁছায় বাস।
একসঙ্গে হোটেল
খুঁজে
তারা
নিজেদের জিনিসপত্র গুছিয়ে নেয়।
বিদায়
জানানোর সময়
নীলা
একটি
কথা
বলে,
“এই
ভ্রমণটা আমার
কাছে
অন্যরকম হয়ে
থাকবে।
ধন্যবাদ আপনার
সঙ্গের
জন্য।”
আদনান
হেসে
উত্তর
দেন,
“আমার
পক্ষ
থেকেও।
আপনার
সঙ্গে
সময়
কাটানো
সত্যিই
দারুণ
ছিল।
আশা
করি,
আমরা
আবার
দেখা
করব।”
সেই
প্রথম
দেখা
আর
প্রথম
কথোপকথন থেকেই
শুরু
হয়েছিল একটি
গল্প,
যা
সময়ের
সঙ্গে
পরিণতি
পায়
ভালোবাসার এক
বন্ধনে। নীলা
আর
আদনানের সেই
যাত্রা
আজও
তাদের
জীবনের
অন্যতম
স্মৃতি
হয়ে
আছে।
পরবর্তী কয়েক
দিন
নীলা
ও
আদনান
কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে
যান।
সমুদ্রের বিশাল
ঢেউ
তাদের
মুগ্ধ
করে।
একসঙ্গে সমুদ্রের ধারে
হাঁটা,
কাঁকড়া ধরা
আর
ঝিনুক
সংগ্রহ—সব মিলিয়ে তাদের
মুহূর্তগুলো স্বপ্নের মতো
কাটে।
একদিন
সন্ধ্যায় সমুদ্রের ধারে
বসে
নীলা
বলেন,
“তুমি
কি
বিশ্বাস করো
যে
কিছু
কিছু
পরিচয়
আমাদের
জীবনের
মোড়
ঘুরিয়ে দিতে
পারে?”
আদনান
কিছুক্ষণ নীরব
থেকে
বলেন,
“হয়তো!
তবে
আমি
এটা
নিশ্চিত, তুমি
আমার
জীবনে
বিশেষ
একজন।”
নীলা
লজ্জায় হেসে
বলেন,
“দেখা
যাক
ভবিষ্যতে কী
হয়।”
এরপর
ঢাকায়
ফিরে
গিয়ে
তারা
যোগাযোগ রাখে।
ধীরে
ধীরে
বন্ধুত্ব থেকে
সম্পর্ক আরও
গভীর
হতে
থাকে।
কয়েক
বছর
পর,
তারা
একসঙ্গে নতুন
একটি
অধ্যায় শুরু
করার
সিদ্ধান্ত নেয়।
ভ্রমণের পথে
শুরু
হওয়া
ভালোবাসা চিরস্থায়ী বন্ধনে
পরিণত
হয়।
----------**<💋সমাপ্ত💋>**---------

Excellent
ReplyDeleteSupper
ReplyDelete